Ads code

যীনা কার যদি বিবাহিত হয় তাহলে তার শাস্তি কি।

 যিনাকার পুরুষ হোক বা নারী হোক যদি বিবাহিত হয় তাহলে তার হুকুম কি নিম্নে। 


হুকুমের দিক দিয়ে কুরআনে কারীমের আয়াত চার ভাগে বিভক্ত।

১। কিছু আয়াতের তেলাওয়াত ও জারি আছে এবং হুকুম ও জারি আছে, দুইটাই কার্যকর আছে।

২। কিছু আয়াতের তিলাওয়াত ও জারি নাই হুকুম ও জারি নাই তেলাওয়াত এবং হুকুম দুইটাই মানছুখ, তথা রোহিত হয়ে গেছে।

৩। কিছু আয়াতের তিলাওয়াত জারি আছে কিন্তু হুকুম মানছুখ তথা রোহিত হয়ে গেছে।

৪। কিছু আয়াতের তেলাওয়াত মানসুখ তথা রোহিত হয়ে গেছে কিন্তু হুকুম জারি আছে।



তো যিনাকারের শাস্তির ব্যাপারে অর্থাৎ যদি যিনাকার এবং যিনাকারিনী তারা যদি বিবাহিত হয়। তাহলে তাদের হুকুম কি? ইহা কুরআনে কারিমের এমন আয়াত দ্বারা প্রমাণিত যাহার হুকুম বর্তমানে এখনো জারি আছে। কিন্তু তিলাওয়াত রহিত হয়ে গেছে।

যেমন আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমের মধ্যে বলেছেন কোরআনে কারীমের রহিত আয়াত।

الشخ والشيخة اذا زنيا فرجموهما

অর্থাৎ কুরআনে কারীমের এই মানসুখ আয়াতের মধ্যে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন। যখন যিনাকার নারী হোক বা পুরুষ হোক, যদি বিবাহিত হয়। তাহলে তাদেরকে রজম করবে। 

অর্থাৎ  পাথর মেরে তাদেরকে হত্যা করতে হবে। এটা হল কুরআনের বিধান এই আয়াতটি কোরআন থেকে রহিত হয়ে গেছে কিন্তু এই আয়াতের হুকুম এখনো কার্যকার আছে।



শাস্তি দেওয়ার পদ্ধতি।

তাদেরকে বুক পর্যন্ত মাটির ভিতরে গাড়তে হবে। এবং তারপরে মৃত্যু না হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের উপর পাথর নিক্ষেপ করতে হবে। এবং এই পাথর নিক্ষেপ করার দ্বারা তাদেরকে দুনিয়া থেকে শেষ করে দিতে হবে।

 এটাই হল ইসলামের বিধান, এটা করতে হবে হাজার হাজার জনতার সামনে, যাতে করে এগুলা দেখে মানুষ শিক্ষা নেয় যে শরীয়ত গর্হিত কোন কাজ করা যাবে না। যেগুলা শরিয়াতে হারাম করেছেন এই সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।


Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement