Ads code

কোন কোন ব্যক্তি বর্গের উপরে।রোজা ভাঙলেও কাযা-কাফফারা। কোনটাই ওয়াজিব হয় না।

ইসলামী জীবন ব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলা সকল মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব।

 যাদের উপরে কাযা-কাফফারা। কোনটাই ওয়াজিব হয় না উহা নিম্নরূপ।


আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন।

وعلى الذين يطيقونه فديه طعام مسكين.

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন যাদের রোজা রাখার সামর্থ্য নেই তাদের জন্য রোজা রাখতে হবে না মিসকিনদের ফিরিয়ে দিলেই চলবে।




উক্ত আয়াতের তাফসির।

ওই আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসীরে রুহুল মাআনীতে তাফসিরে ইবনে কাসিরে এবং বুখারী শরীফে কিতাবুত তাফসীরের। মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

ঐ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন যাদের রোজা রাখার সামর্থ্য নেই। তাদের জন্য রোজা না রেখে ফিদিয়া দিলেই চলবে। 




যাদের জন্য শুধু ফিদিয়ে দিলেই চলবে কাজা কাফফারা আদায় করতে হবে না উহা নিম্নরূপ।

১। একেবারে বৃদ্ধ লোক। যে রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। যদি সে রোজা রাখে তাহলে তার প্রাণ নাশের আশঙ্কা আছে। এমন ব্যক্তির জন্য কাজা কাফফারা কোনটাই দিতে হবে না। এবং রোজা রাখতে হবে না। শুধু মিসকিনদের কে ফিদিয়া দিলেই চলবে।



২। এমন গর্ভবতী মহিলা তিনি অসুস্থ। যদি তিনি রোজা রাখে তাহার গর্ভের সন্তানের ও নিজের। প্রাণ নাশের আশঙ্কা থাকে। তাহলে তার জন্য রোজা রাখতে হবে না। কাজ আদায় করতে হবে না। কাফফারা ও দিতে হবে না। শুধু মিসকিনদের কে ফিদিয়া দিলেই চলবে।


৩। এবং দুগ্ধপান কারিনী মহিলা। যদি তিনি রোজা রাখে। তাহলে তার সন্তানের প্রান নাশে
র আশঙ্কা থাকে। তাহলেও তার জন্য রোজা রাখতে হবে না। কাজা আদায় করতে ও হবে না। শুধু মিসকিনদের কে ফিদিয়া দিলেই চলবে।


যেমন বুখারী শরীফে ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাই। তিনি আলোচনা করেছেন। যে হযরত আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা । যখন একেবারে শেষ বয়সে পৌঁছে গিয়েছিলেন। চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখন এক বছর অথবা দুই বছর পর্যন্ত। তিনি রোজা না রেখে গরীব মিসকিনদের কে প্রতিদিন গোশত এবং রুটি খাওয়াতেন।‌‌ 


ইহার দ্বারা বোঝা যায়। যে যদি কোন ব্যক্তি একেবারে বয়স্ক বৃদ্ধ হয়ে যায়। রোজা রাখতে না পারে। তাহলে সে মিসকিনদের কে ফিরিয়ে দিলেই চলবে। তার রোযা রাখতে হবে না। কাযা ও আদায় করতে হবে না। কাফফারা ও দিতে হবে না।



Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement